সৌগত দেবনাথ এর কবিতা | মিহিন্দা




লাস্য - কবচ - শ্লোক!



এ যুদ্ধের মাসকট - সময়
বলে দেবে—
অতিথিপরায়ণ হওয়ার জোরে কেমন
সাধুর প্রতিও বিছানাবিদ্বেষ তৈরি হয়,
লিলিথ, তোমার প্রিয় হরিণের মাংস
দূর্বা সবুজে লুটিয়ে পড়লে, আহত;
তখনো কি নগ্ন বিশ্বাসের ছুরি ঠেকানো প্রয়োজন?

পুরো পৃথিবীর তৃষ্ণার্ত জমি
অবহেলার রিসাইকেল বিন,
সেচের সহচর এ তল্লাটে আঙুলে গোনা যায়,
তড়িঘড়ি সাইকেল চাকার বিষাদ ঘুরতে ঘুরতে
পা পেরোতে ব্যর্থ হবার পর
লিলিথ, তোমার ঘাড় জানে কিভাবে সামনে তাকাতে হয়,

অথচ,
না তাকালেও আকাশের মতো সাম্য
চিরকাল মাথার ওপরে সমান্তরাল
তার সাধুবাদ সহ গ্রন্থিত অতীত নিয়ে মূর্ছা যাই,
আর
পৃথিবীর উৎসর্গপত্রে সমস্ত ক্লান্ত জরায়ুর ঘাম
একটি একটি কষ্টসাধ্য জন্ম দেয় রাষ্ট্রের,
লিলিথ, কস্তুরি উৎসের প্রতি সমূহ তীর ছুঁড়ে
আলোকবর্ষ দ্বন্দ্ব করে যেতে পারতাম তোমার সাথে,
যদিও তোমার সুবর্ণ সুযোগ, স্নেহ তৃপ্ত পিকাসো আঁকবে ঘর
দুটো জানালা থাকবে, দুটো দরজা থাকবে, দুটো চোখ থাকবে
নীচ থেকে মাটি বলবে-
স্মৃতি কলোনির ত্রাণকর্তা, বাগান সাজাতে জানতে হবে,
আর তুমিও নেমে যাবে কাঁচি হাতে
বনসাই গ্রাম চারদিক
আহ্নিক সেরে যেদিকেই তাকাবে, বৃন্দাবন!

তবু-
জীবনের প্রতিটি সান্ধ্য সভার তুলসীবনে
এমন নিস্তরঙ্গ হরিণের মাংস, লুটিয়ে - আহত
নৈশভোজের পাঠ - পর্যায়
শেষ হলে;
জানা যায়, কেউ কেউ এসেছিলো জানাযায়!




Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন