মাইন সরকার এর কবিতা | মিহিন্দা





তীর্থের কাক



কতিপয় মানুষের কান্নায় ফেটে যাচ্ছে পৃথিবী,
কুচ্ছিত সভ্যতার দিকে তাঁকিয়ে আছে তীর্থের কাক।

এবার বৈশাখে ঝড়ের তাণ্ডবলীলা থেমে গেছে
তবুও মানুষের হাহাকার থামছে না,
থামছে না কান্নার ঢল!

এই আকালে মানুষ এখন
মানুষকে মুখোশ পড়াচ্ছে।




দ্রোহেই মুক্তির নিশান


প্রলয়ের ধ্বনিত বাতাস উড়ে যায় পতনের মোহে
সভ্যতার দোহাই তোমরা যারা হাসতে জানো না
তারা কাঁদতেও এসো না।
ঠোঁট কামড়ে রাগ দমনের ব্যর্থ চেষ্টায় পোষেনি মন, বরং লাঠির বদলে লাঠি হাতের বদলে হাত
আর ভালোবাসার বদলে ভালোবাসা হয়ে এই
আমি ঘুরে দাঁড়ালাম।




সময়


এ এক আজব আমি সময়কে ধরতে পারি না
সময় সে খুব তীব্র গতিতে আমার থেকে লাগামহীন ভাবে ছুটে চলছে তো চলছেই।

তবুও আমি সময়কে ধরতে চাই
মহামান্য সময় আমাকে ধরা দাও!
আমি তোমার অনুগত
একান্তবাধ্য তোমাকে ধরবো বলে।

এবার ঘোড়ায় চড়ে দৌড়াচ্ছি....
সময় ঘোড়ার থেকেও তীব্র গতিতে
ছুটছে তো ছুটছেই
ট্রেনে চড়েছি, বিমানে উঠেছি
তবুও সময়কে ধরতে পারলাম না
সময় আমার থেকে পালিয়ে বেড়ায়।

এখন আমি আর সময়কে ধরতে চাই না
একদিন সময়ই যদি আমাকে ধরে
ছুঁয়ে দিয়ে যায় সমস্ত আমাকে।



মাইনো মনের ফুল


আমি পানিতে ভাসমান মাইন
কিংবা মাটিতে পুঁতে রাখা মাইন নই
আমি জনগনের সরকারও নই!

আজকাল খুব ইচ্ছে করে
শিশ্ন উত্থিত করে মুতে দিই
এইসব ভণ্ড জনপ্রতিনিধি
পদলেহী জানোয়ারগুলো মুখে!
স্বজনপ্রীতি আর দূর্নীতিতে এই দেশটাকে
কবেই খেয়ে ফেলেছে তারা!

অথচ আজ আবার এই করোনার কালে 
চুরি করে নিচ্ছে ভাগ্য বিড়ম্বিত জনগনের 
সরকারি ত্রাণ। 
তবু এই আকালেও আমি ফুল ভালোবাসি
আমার বাগানে বেলি কিংবা গন্ধরাজ ফোটে না
আমার বাগানে ফোটে মাইনো মনের ফুল।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন