রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর'কে নিবেদিত কবিতা : দুর্জয় খান | মিহিন্দা



(১)

কেড়ুয়াল


খোলা দেয়ালের উপর অত্যুজ্জ্বল এক আলোকরশ্মি
ঠিকরে পড়ছে খুব; ঠাহর করতে পারিনে দৃষ্টি!
হালকা কুয়াশাচ্ছন্ন শীতার্ত ভোর অব্যক্ত কোনো পঙক্তিতে ডেকে গেছে খানিকটা আগে।
প্রতিলম্ব শূন্য হাওয়ায় ভেসে আসে ক্যামেলিয়া ঘ্রাণ
এ্যালভেরা যেনো তেজস্বী করেছে শিশির সকাল!

(২)

বিবিধ জলধীর


কেনো জানি আমর মুদ্রাদোষ;জীবনের সমস্ত সঞ্চয় এক করে ঠিক ব'য়ে চলে হারিয়ে যায় উবে যাওয়া জলের মতন,
সময়ের চক্রাবর্তে রবী আসে ওমনই সকালের চাদর হয়ে ক্রমে ক্রমে আমাকে করে যাই গ্রাস!
তবুও পারিনে আমি, জীবনে " সমন্বয় " শব্দটির বুকের রস আস্বাদন করে (সদ্য-ঘুম-ভাঙা-আমি)-কে তাঁর চরণে মেলে দিতে।

(৩)


পরাবাস্তব


সভ্যতা; এখন ধর্মের,যুক্তির আর বিদ্যুতের-
দূরের সবচে আলোকিত নক্ষত্রটি যখন নেই তখন ইতিহাস বদলে দক্ষিন দ্রাঘিমায় ফেলে সু-শাস্ত্র পাঠ করি; আদৌ করি কি না জানি নে!
খসে যাওয়া নক্ষত্রের দল হয়তো কোনো দ্বীপে কবিতার আড্ডা জমিয়েছে বেশ
সেখানেও রবী অনবরত গীত শুনিয়ে যাই দ্বাদশী'র রাতে;সভ্যতা কি জানে?



(৪)

মনোলগ


ওপারের বিস্তীর্ণ দ্বীপজুড়ে কোনো হাহাকার নেই, নেই জীবনে বেঁচে থাকার স্বাদ কিংবা উপকরণ ;
কেবলি আছে
কবিতা!
কবিতা!!
কবিতা!!!
বিশ্বাস থেকে বলছি, সেখানেও রবী পদ্মাসন নিয়ে আছে, ঝরে যাওয়া অজস্র কবিদের দেবতা হয়ে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন