শাব্দিক সাব্বির - এর সিক্‌তা | মিহিন্দা












::সিক্‌তা::

কবিতার একটা ভার্সন


কবিতার ভাষায় একটি নতুন সংস্করণ। ‘সিক্‌তা’ শব্দটি এসেছে ইংরেজি ‘সিক্‌’ থেকে। যার আভিধানিক অর্থের সাথে আমার বোধকে এক করে এভাবে প্রকাশ করা যায়, ‘আপাত দৃষ্টিতে ভুল মনে হলেও আসলে তা সঠিক এবং এর গভীরতা আছে। ‘সিক্‌তা’ বাক্যে ভুল শব্দের পাশে ইটালিকাইজডে, তৃতীয় বন্ধনী দ্বারা [sic] আবদ্ব থাকে। এবং এর পরের ‘তা’ খুব সহজ– কবিতা থেকে ‘তা’ নেওয়া। এই হচ্ছে ‘সিক্‌তা’

উদাহরণ[+]

সিক্‌ সাধারণত ইটালিকাইজড থাকে এবং সর্বদা স্কয়ার বা তৃতীয় বন্ধনী দ্বারা বেষ্টিত থাকে এটি নির্দেশ করার জন্য যে এটি আসল অংশ নয়। ত্রুটির ঠিক পরে [sic] লেখা হয়। উদাহরণ: কেউ লিখেছে, “তারা সেখানে [sic] বিছানা তৈরি করেছে”। দ্রষ্টব্য: সঠিক বাক্যটি হওয়া উচিত ছিল, “তারা তাদের বিছানা তৈরি করেছে”। 

এর ইতিহাস কিংবা এর উৎপত্তি নিয়া ঘিলু না প্যাচালেও চলবে। শব্দটি থেকে কিভাবে কবিতার প্যাটার্ণ তৈরি হলো তা’ ই মূল আলোচনার বিষয় হতে পারে। বেশি জানতে উইকিপিডিয়া, ইংরেজি অভিধান বা যেকোনো স্থানে ‘sic’ লিখে আঙুল চেপে ধরুন আর পুরাতনকে নতুনরূপে জানুন। 


::কবিতার একটা ভার্সন::  

এবার আসা যাক সিক্‌তা নিয়ে। সিক্‌তা সকল ইউনিভার্সের সাহিত্যের প্যাটার্ণ। বিজ্ঞান, গণিত কবিতায় ব্যবহারের ব্যর্থ চেষ্টা এবং সফল চেষ্টার সাথে যদি আপনি রেখা, থ্রিডি টু টুডি আর্ট যোগ করেন তবে এক ভিন্ন ভাষা তৈরি করা সম্ভব। শুধু দৃষ্টি নন্দনের জন্য এর ব্যবহারকে ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করতে নারাজ। ব্যবহারটা এমন যেন শব্দকে নতুনত্ব দেওয়া, বলা যেতে পারে নতুন পোষাক পরানো। আরো ভাবুন বিভিন্ন ভাষায় নতুন শব্দ কেমনে আসলো? ভিন্ন ভাষার উচ্চারণগত সমস্যা থেকে নতুন শব্দ। তাছাড়াও প্রত্যয়-উপসর্গ যোগেও গঠন হয়  নতুন শব্দের। তেমনি দুটি শব্দের (তা যে ভাষারই হোক) মধ্যবর্তী আকর্ষণ বলের কারণে তৈরি হতে পারে নতুন শব্দ। এটা সিক্‌তার একটা বৈশিষ্ট্য। সিক্‌তায় গোপনসূত্র প্রতিটি কবিতায় একটু ভিন্নরকম। ধরুন এটা ফিবোনাক্কিমতো না গিয়ে যাচ্ছে ফ্যাক্টরিয়াল ফাংশন মতো। শব্দের সংসারে কতজন সদস্য আছে সেই ভাষা ফ্যাক্টরিয়াল ফাংশন। কতভাবে প্রকাশ করতে পারা যায় একটি শব্দকে তা থেকেই সিক্‌তার ভাষা তৈরি হয়। সিক্‌তায় কতটা গভীরতা আছে কিছুটা নাহয় গোপনই রাখলাম– বুঝতে সিক্‌তা পড়ুন, চর্চা নাহয় তুলে রাখলেন।


 


Post a Comment

أحدث أقدم